প্রশ্নের বর্ণনা

a পোস্টকার্ড ও এনভেলাপ
b শিরোনাম ও পত্রগর্ভ
c আরম্ভ ও শেষ
d প্রেরক ও প্রাপক
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিরোনাম ও পত্রগর্ভ ১. কেন সঠিক: একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিগত বা আনুষ্ঠানিক চিঠির মূল কাঠামো বিবেচনা করলে পত্রটিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর একটি হলো চিঠির ওপরের অংশ বা শিরোনাম এবং অন্যটি হলো মূল বক্তব্য বা পত্রগর্ভ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পত্র লিখন একটি ব্যবহারিক ব্যাকরণ ও রচনা দক্ষতার অংশ। শিরোনাম অংশের মধ্যে স্থান, তারিখ, সম্বোধন এবং প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত থাকে। আর পত্রগর্ভ অংশে চিঠির মূল বক্তব্য বা ভাব প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত চিঠির ওপরের ডান কোণায় ঠিকানা ও তারিখ লেখা এবং নিচে প্রিয়জনকে সম্বোধন করা শিরোনামের অংশ। ব্যাখ্যা: এটি চিঠির বাহ্যিক প্রস্তুতি ও পরিচিতি বহন করে যা শিরোনাম নামে পরিচিত। উদাহরণ ২: চিঠির মাঝখানে প্রীতির কথা ও খবরাখবর লেখা অংশটি পত্রগর্ভ। ব্যাখ্যা: এটি চিঠির ভেতরের মূল বিষয়বস্তু বা প্রধান বক্তব্যকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোস্টকার্ড ও এনভেলাপ — এগুলো চিঠি পাঠানোর মাধ্যম বা উপকরণ, চিঠির লেখার ভেতরের অভ্যন্তরীণ প্রধান অংশ নয়। B) শিরোনাম ও পত্রগর্ভ — এটি সঠিক উত্তর এবং পত্রের দুটি প্রধান অংশ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। C) আরম্ভ ও শেষ — এগুলো চিঠির কাঠামোর বিভিন্ন পর্যায় হতে পারে কিন্তু প্রধান দুটি অংশ হিসেবে এটি প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। D) প্রেরক ও প্রাপক — এরা চিঠির সাথে সংশ্লিষ্ট দুটি ব্যক্তি বা পক্ষ, চিঠির অভ্যন্তরীণ প্রধান দুটি অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চিঠি লেখার সময় ওপরের অংশ হলো শিরোনাম এবং ভেতরের মূল লেখা হলো পত্রগর্ভ। এই দুটি মিলে গঠিত হয় একটি সম্পূর্ণ পত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্র লিখন অংশ থেকে এই ধরনের মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পত্রের মূল দুটি অংশ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে যেকোনো বিভ্রান্তিকর অপশন সহজে এড়ানো সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0