প্রশ্নের বর্ণনা

a পাঁচ প্রকার
b দুই প্রকার
c চার প্রকার
d তিন প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই প্রকার ১. কেন সঠিক: পত্র প্রধানত দুই প্রকার, কারণ ভাবের আদান-প্রদান ও যোগাযোগের ধরণ অনুযায়ী চিঠিকে মূলত ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যোগাযোগের ক্ষেত্র ও প্রাপকের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বাংলা ব্যাকরণে পত্রের এই মূল বিভাজন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চিঠিপত্র লেখার উদ্দেশ্য ও প্রাপকের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে পত্রের শ্রেণিবিভাগ নির্ধারিত হয়। ব্যক্তিগত চিঠিতে আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুবান্ধবদের কাছে মনের ভাব প্রকাশ করা হয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিতে দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক কাজ সম্পন্ন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত চিঠি ব্যাখ্যা: মা-বাবা কিংবা বন্ধুর কাছে লেখা চিঠি ব্যক্তিগত পত্রের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: প্রাতিষ্ঠানিক চিঠি ব্যাখ্যা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা কোনো অফিসের কর্মকর্তার কাছে লেখা আবেদনপত্র প্রাতিষ্ঠানিক পত্রের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঁচ প্রকার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ পত্রের মূল বিভাগ এতগুলো নয়। B) দুই প্রকার — এটি সঠিক কারণ পত্র প্রধানত ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) চার প্রকার — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাসে পত্রকে চারে ভাগ করা হয় না। D) তিন প্রকার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ পত্রে তিনটি প্রধান বিভাগ ধরা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: চিঠি লেখার মানুষ সাধারণত দুই ধরণের হয়, একজন নিজের মানুষ বা আত্মীয় এবং অন্যজন দাপ্তরিক কাজের মানুষ। এই দুই ধরণের মানুষের কথা মাথায় রাখলেই পত্রের মূল প্রকারভেদ অর্থাৎ দুটি প্রকার সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পত্র সাধারণত কয় প্রকার এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। নিয়োগ পরীক্ষায় পত্রের প্রকারভেদ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক এই দুটি মূল ধরন মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0