প্রশ্নের বর্ণনা

a রৈবতক
b কুরুক্ষেত্র
c মেঘনাদবধ
d প্রভাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেঘনাদবধ ১. কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্য হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর মূল সুর বীররসাত্মক। - কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা কাব্যে সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত মেঘনাদবধ কাব্য রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও এর মূল আকর্ষণ রাক্ষসরাজ রাবণ ও তাঁর বীর পুত্র ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাব্য হলেও এটি মহাকাব্য নয়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত পত্রকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর রস ভিন্ন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রৈবতক — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত এই কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হলেও এটি মহাকাব্য নয় বরং পৌরাণিক আখ্যান কাব্য। B) কুরুক্ষেত্র — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত এই কাব্যটি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হলেও এটি মেঘনাদবধ কাব্যের মতো প্রধান বীররসের মহাকাব্য হিসেবে খ্যাত নয়। C) মেঘনাদবধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রধান বীররসের মহাকাব্য। D) প্রভাস — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত এই কাব্যটি শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকা ত্যাগের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এর মূল সুর শোক বা ভক্তিমুলক, বীররস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং মেঘনাদবধ কাব্য হলো তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - বীররসের কাব্য বললে চোখ বন্ধ করে মেঘনাদবধ কাব্যের নাম মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে। - অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক ও প্রবর্তক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0