প্রশ্নের বর্ণনা

a আঁক
b অঙ্ক
c ডর
d বধূ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আঁক ১. কেন সঠিক: খাঁটি বাংলা ধাতু বা মৌলিক ধাতু হলো সেসব ধাতু যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের কোনো উৎস বা সংস্কৃত রূপের ওপর নির্ভর করতে হয় না। আঁক একটি মৌলিক বা খাঁটি বাংলা ধাতু, যার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে আঁকা, আঁক后者 ইত্যাদি শব্দ গঠন করা সম্ভব হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধাতু মূলত তিন প্রকার, যথা মৌলিক বা খাঁটি বাংলা ধাতু, সংস্কৃত ধাতু এবং বিদেশি ধাতু। মৌলিক ধাতু বা খাঁটি বাংলা ধাতু হলো বাংলা ভাষার নিজস্ব ধাতু যা কোনো সংস্কৃত ধাতু থেকে সরাসরি উৎপন্ন হয়নি এবং যার সঙ্গে বিভক্তি বা প্রত্যয় যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাচ ব্যাখ্যা: নাচ একটি খাঁটি বাংলা ধাতু, যার সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে নাচা ক্রিয়াপদ বা নাচন বিশেষ্য পদ গঠন করা যায়। উদাহরণ ২: কাট ব্যাখ্যা: কাট একটি মৌলিক ধাতু, যা বাংলায় স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এর থেকে কাটা, কাটাউ ইত্যাদি শব্দ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঁক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি খাঁটি বাংলা ধাতু যা প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে। B) অঙ্ক — এটি মূলত তৎসম শব্দ বা সংস্কৃত শব্দ, যা ব্যাকরণের নিয়মে খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে গণ্য হয় না। C) ডর — ডর হলো সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ বা তদ্ভব শব্দের উৎসজাত রূপ, যা খাঁটি বাংলা মৌলিক ধাতুর তালিকায় সরাসরি পড়ে না। D) বধূ — বধূ একটি তৎসম বা তদ্ভব বিশেষ্য পদ, যা কোনোভাবেই ধাতু বা ক্রিয়ার মূল রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা ধাতু চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত একক ধ্বনি বা ছোট শব্দ হয় এবং এদের ওপর কোনো সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রভাব থাকে না যেমন আঁক, কাট, নাচ, দেখ। শব্দের রূপ দেখে বুঝতে হবে কোনটি নামপদ এবং কোনটি ক্রিয়ার মূল বা ধাতু। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই খাঁটি বাংলা ধাতু এবং তৎসম ধাতুর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়। মৌলিক ধাতুর সঙ্গে সবসময় বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাই ধাতু চেনার সময় এর ক্রিয়াপদ গঠন করার ক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0