প্রশ্নের বর্ণনা

a ইবে
b অ
c উন
d ইস্
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উন ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা বক্তার আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায়, তাকে অনুজ্ঞা বলে। বাংলা ব্যাকরণে পুরুষভেদে অনুজ্ঞার রূপের ভিন্নতা দেখা যায়। সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষে (যাঁদের সম্মান প্রদর্শন করা হয়, যেমন আপনি, আপনাদের) ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'উন' বিভক্তি যুক্ত হয়ে অনুজ্ঞা পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ তিন প্রকার, যথা উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষ। এর মধ্যে মধ্যম পুরুষ আবার তিনটি ভাগে বিভক্ত, যেমন সাধারণ মধ্যম পুরুষ, তুচ্ছার্থক মধ্যম পুরুষ এবং সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষ। সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের শেষে 'উন' বা 'বেন' বিভক্তি যুক্ত করে আদেশ বা অনুরোধ প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি কাজটি করুন। ব্যাখ্যা: এখানে 'করুন' ক্রিয়াপদটিতে 'কর' ধাতুর সঙ্গে সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞা বিভক্তি 'উন' যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: আপনারা একটু বসুন। ব্যাখ্যা: এখানে 'বসুন' ক্রিয়াপদটিতে 'বস' ধাতুর সঙ্গে সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞা বিভক্তি 'উন' যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইবে — এটি সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞা বিভক্তি নয়, এটি সাধারণ ভবিষ্যতের ক্রিয়াপদের বিভক্তি। B) অ — এটি সাধারণ মধ্যম পুরুষ বা তুচ্ছার্থক মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞা বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) ইস্ — এটি মূলত তুচ্ছার্থক মধ্যম পুরুষের বর্তমান কালের ক্রিয়াপদের বিভক্তি, অনুজ্ঞা বিভক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সম্ভ্রমাত্মক মধ্যম পুরুষে আপনি বা আপনারা ব্যবহার করা হয় এবং তাঁদের ক্ষেত্রে আদেশ করতে হলে ক্রিয়ার শেষে উন বা ন যুক্ত হয়। যেমন: বসুন, বলুন, করুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পুরুষ ও অনুজ্ঞা নির্ণয়ের প্রশ্ন আসে। তাই সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়ার রূপ মিলিয়ে অনুজ্ঞার বিভক্তি সহজে চিনে নিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0