প্রশ্নের বর্ণনা

a উত্তম পুরুষে
b নাম পুরুষে
c মধ্যম পুরুষে
d সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধ্যম পুরুষে ১. কেন সঠিক: - অনুজ্ঞায় মধ্যম পুরুষের তুচ্ছার্থক বা ঘনিষ্ঠার্থক রূপে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না, কারণ মূল ধাতু দিয়েই এই রূপ গঠিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ বা আশীর্বাদ প্রকাশ করার ভাবকে অনুজ্ঞা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মধ্যম পুরুষে বক্তা সামনে উপস্থিত কাউকে কিছু করতে বললে তা অনুজ্ঞা হয় এবং তুচ্ছার্থক ক্ষেত্রে ক্রিয়ামূল বা ধাতু অপরিবর্তিত থাকে। - যেমন তুই কর ধাতুর রূপ কর ব্যবহার করিস না, কেবল কর বললেই অনুজ্ঞার তুচ্ছার্থক রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুই কাজটি কর। ব্যাখ্যা: এখানে কর হলো ধাতুর মূল রূপ এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যোগ হয়নি যা মধ্যম পুরুষের তুচ্ছার্থক অনুজ্ঞা। উদাহরণ ২: তুই বইটা পড়। ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো মূল ধাতু এবং এর সাথে কোনো প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত না হয়ে তুচ্ছার্থক অনুজ্ঞার রূপ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তম পুরুষে — উত্তম পুরুষের অনুজ্ঞা হয় না, কারণ বক্তা নিজেকে নিজে আদেশ বা অনুরোধ করতে পারে না। B) নাম পুরুষে — নাম পুরুষ বা প্রথম পুরুষের অনুজ্ঞায় বিভক্তি যুক্ত হয় যেমন সে কাজ করুক। D) সবগুলো — এই অপশনটি ভুল কারণ কেবল মধ্যম পুরুষের তুচ্ছার্থক রূপেই বিভক্তি থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছোটদের তুই বলে আদেশ করার সময় শুধু মূল ধাতু ব্যবহার করবে যেমন যা, খা, পড়, কর। - মনে রাখবে তুই এর অনুজ্ঞায় কখনো কোনো বিভক্তি বসে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অনুজ্ঞার পুরুষভিত্তিক রূপ থেকে প্রশ্ন আসে। - মধ্যম পুরুষের সাধারণ, তুচ্ছার্থক এবং উচ্চার্থক রূপের পার্থক্য ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0