প্রশ্নের বর্ণনা

a মেঘনাদবধ
b পদ্মিনী উপাখ্যান
c দিকদর্শন
d ধূমকেতু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেঘনাদবধ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ঐতিহাসিক ভুল রয়েছে। প্রদত্ত সঠিক উত্তরে মেঘনাদবধ কাব্যের কথা বলা হলেও, এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, প্রথম কাব্য নয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের প্রথম কাব্য হলো কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহু প্রশ্নব্যাংকে মেঘনাদবধ কাব্যকে প্রথম মহাকাব্য বা প্রথম সার্থক কাব্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সার্থক মহাকাব্যের প্রবর্তক। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক মহাকাব্য। রামায়ণের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এই মহাকাব্যে রাবণ ও মেঘনাদের চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্য বা প্রথম পূর্ণাঙ্গ পদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যা পত্রাকারে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদবধ — এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, প্রথম সাধারণ কাব্য নয়। B) পদ্মিনী উপাখ্যান — এটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। C) দিকদর্শন — এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র। D) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী অর্ধসাप्ताहिक পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রথম কাব্য বললে তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য এবং প্রথম সার্থক মহাকাব্য বললে মেঘনাদবধ কাব্য মনে রাখবে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কাব্যের রূপকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্যের নাম এবং এর রচয়িতার নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য ও প্রথম মহাকাব্যের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0