প্রশ্নের বর্ণনা

a উপন্যাস
b নাটক
c গল্পগ্রন্থ
d কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি হলো আধুনিক বাংলা কবিতার ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রখ্যাত দীর্ঘ কবিতা। - বিখ্যাত কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন এবং এটি তার সমনামীয় কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই সাহিত্যকর্মটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট আধুনিক কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ যিনি তার স্বকীয় কাব্যরীতির জন্য পরিচিত। - এটি মূলত বাঙালি সংস্কৃতি ইতিহাস ঐতিহ্য এবং আবহমান বাংলার জীবনসংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলা একটি ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা বাংলা সাহিত্যর দীর্ঘতম কাব্যগুলোর একটি। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত কল্পিত দীর্ঘ কাহিনী, কিন্তু আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি গদ্যে লেখা হলেও এটি কোনো উপন্যাস নয়। B) নাটক — নাটকে চরিত্রসমূহের সংলাপের মাধ্যমে কাহিনী ও ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়, কিন্তু এটি কোনো নাট্যসাহিত্য নয়। C) গল্পগ্রন্থ — গল্পগ্রন্থ হলো ছোটগল্পের সংকলন, কিন্তু এই রচনাটি কোনো ছোটগল্পের বই নয় বরং এটি একটি দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। D) কাব্যগ্রন্থ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি মূলত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি রচনাটিকে একটি বড় কবিতা হিসেবে মনে রাখলে এটি কাব্যগ্রন্থ হিসেবে সহজেই মাথায় থাকবে। - লেখকের নামের সাথে এই বিখ্যাত কবিতার নাম এবং কাব্যগ্রন্থের রূপ মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - কোনো বিখ্যাত কবিতা এককভাবে কাব্যগ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হলে তার ধরন সাধারণত কাব্যগ্রন্থ হিসেবেই চিহ্নিত করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0