প্রশ্নের বর্ণনা

a জীবনানন্দ দাশ
b সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
c বিষ্ণু দে
d অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষ্ণু দে ১. কেন সঠিক: - ‘নাম রেখেছি কোমল গান্ধার’ কাব্যগ্রন্থটি বিশিষ্ট আধুনিক কবি বিষ্ণু দের একটি অত্যন্ত প্রখ্যাত ও গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। - এখানে কোমল গান্ধার হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি সুর, যা কবির কাব্যে গভীর সৌন্দর্য ও উপলব্ধির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষ্ণু দে তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, যিনি মার্ক্সীয় দর্শনে বিশ্বাসী হলেও ক্লাসিক্যাল শিল্পবোধে ঋদ্ধ ছিলেন। - তার কবিতায় আন্তর্জাতিক চেতনা, ইতিহাসচেতনা এবং আধুনিক মানুষের নিঃসঙ্গতা ও যন্ত্রণার গভীর রূপায়ন দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরাবালি ব্যাখ্যা: এটি বিষ্ণু দের রচিত অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক কাব্যান্দোলনে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: পূর্বলেখ ব্যাখ্যা: এটিও কবি বিষ্ণু দের একটি অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার নির্জনতম কবি, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা এবং বনলতা সেন। B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ত্রিশের দশকের বুদ্ধিবাদী কবি, যার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা এবং পৃথিবী। D) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক ধারার কবি, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ পারাপার এবং অমল অভিযাত্রিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোমল গান্ধার একটি সঙ্গীতের সুর, আর বিষ্ণু দে ছিলেন সুর ও শিল্পের দারুণ অনুরাগী একজন আধুনিক কবি। - এভাবে সুরের সঙ্গে কবির নাম মিলিয়ে খুব সহজেই এটি মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ত্রিশের দশকের পাঁচ কবির কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি বিষ্ণু দের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0