প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b দেবেন্দ্রনাথ সেন
c রাজা রামমোহন রায়
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় ছিলেন আধুনিক ভারতের এক মহান সংস্কারক যিনি বাংলার সমাজে কুসংস্কার দূর করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নরের সহায়তায় ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা বিলোপ আইন পাস করান এবং এই অমানবিক প্রথার চিরতরে অবসান ঘটান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ এবং একেশ্বরবাদী আন্দোলন তথা ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার মূল পুরোধা ব্যক্তিত্ব। সতীদাহ প্রথা রোধের আন্দোলনের পাশাপাশি তিনি নারী শিক্ষা বিস্তার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষেও জোরালো ভূমিকা রেখেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবাবিবাহ আইন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ব্যাখ্যা: সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে সতীদাহ প্রথা রোধের পর বিদ্যাসাগরের হাত ধরে বিধবাবিবাহ আইন পাস হয়। উদাহরণ ২: বঙ্গভঙ্গ রদ হয় ১৯১১ সালে। ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ ভারতের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সংস্কার ও রাজনৈতিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি সতীদাহ প্রথা রোধ করেননি, বরং তার উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবাবিবাহ আইন পাস হয়। B) দেবেন্দ্রনাথ সেন — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন খ্যাতনামা বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, সমাজ সংস্কারক নন। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, ঐতিহাসিক সমাজ সংস্কারক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রামমোহনের ম দিয়ে মোহন এবং মো দিয়ে সতীদাহ প্রথার অবসান বা মুক্তি মনে রাখতে পারো। সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে সতীদাহ প্রথার নাম আসলে সবার আগে রাজা রামমোহন রায়ের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সতীদাহ প্রথা রোধের সাল এবং নেপথ্য নায়ক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের ঐতিহাসিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে সংস্কারকের নাম এবং আইন পাসের সঠিক সাল মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0