প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c রামমোহন রায়
d দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ঊনবিংশ শতকের বাংলার সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের অগ্রদূত ছিলেন। - তিনি ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট সমাজ সংস্কার এবং একেশ্বরবাদী ধর্মমত প্রচারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার এবং আধুনিক ভারতের জনক হিসেবে পরিচিত। - তিনি সতীদাহ প্রথা রদ এবং নারীশিক্ষার প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মীয় সভা ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় ১৮১৫ সালে একেশ্বরবাদ প্রচারের জন্য আত্মীয় সভা প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ব্রাহ্মসাজে রূপ নেয়। উদাহরণ ২: বেদান্ত গ্রন্থ ব্যাখ্যা: রামমোহন রায় বেদান্ত দর্শন প্রচারের জন্য ১৮১৫ সালে বেদান্ত গ্রন্থ রচনা ও প্রকাশ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং সাহিত্যসম্রাট হিসেবে পরিচিত, ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের আদর্শে বিশ্বাসী এবং এর প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু সমাজটির প্রতিষ্ঠাতা নন। C) রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর। D) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম প্রধান সংস্কারক ও নেতা ছিলেন, তবে রামমোহন রায়ের মৃত্যুর পর তিনি এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাজা রামমোহন রায় হলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা এবং ১৮২৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রামমোহন রায়ের নাম এবং পরবর্তীতে এর প্রসারে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদানের বিষয়টি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার সাল এবং প্রতিষ্ঠাতার নাম মনে রাখা বাধ্যতামূলক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0