প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রামমোহন রায়
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d অক্ষয়কুমার বড়াল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় ছিলেন আধুনিক ভারতের জনক এবং সমাজ সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। - তাঁর দীর্ঘ ও তীব্র আন্দোলনের ফলেই ব্রিটিশ সরকার সতীদাহ প্রথাকে সম্পূর্ণ বেআইনি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজা রামমোহন রায় ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকের মাধ্যমে সপ্তদশ রেগুলেশন আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা বাতিল করান। - তিনি সংবাদ কৌমুদী পত্রিকার মাধ্যমে এই কুপ্রথার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করেছিলেন এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবা বিবাহ আইন ১৮৫৬ ব্যাখ্যা: সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়, যা সতীদাহ প্রথার মতো আরেকটি বড় সামাজিক সংস্কার। উদাহরণ ২: বঙ্গভঙ্গ রদ ১৯১১ ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ ভারতের আরেকটি ঐতিহাসিক ঘটনা, যেখানে জনমতের চাপের মুখে সরকার একটি বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সতীদাহ প্রথা নিরোধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি মূলত বিধবা বিবাহ আইন পাস এবং নারী শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। B) রামমোহন রায় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রাজা রামমোহন রায় তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আইনগতভাবে সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেছিলেন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক ও সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কার আইন প্রণয়নে তাঁর সরাসরি ভূমিকা ছিল না। D) অক্ষয়কুমার বড়াল — অক্ষয়কুমার বড়াল বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গীতিকবি ও রবীন্দ্রপূর্ব যুগের কবি, সমাজ সংস্কার আন্দোলনে তাঁর কোনো সংযোগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা মানেই রাজা রামমোহন রায় এবং বিধবা বিবাহ মানেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সতীদাহ প্রথা কত সালে এবং কার উদ্যোগে রোহিত হয়, এটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। আইনটি পাস হয়েছিল ১৮২৯ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকের আমলে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0