প্রশ্নের বর্ণনা

a বাঙলা ব্যাকরণ
b মাগধী ব্যাকরণ
c গৌড়ীয় ব্যাকরণ
d সনাতন বাংলা ব্যাকরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৌড়ীয় ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক রচিত 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' হলো বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। - ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম মৌলিক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন। - ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি মূলত ইংরেজি ব্যাকরণের আদールে বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে উপস্থাপন করার একটি সফল প্রয়াস ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা একজন বাঙালি রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁউ এর পর্তুগিজ ভাষায় রচিত ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ হলেও তা বাঙালি দ্বারা রচিত নয়, পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঙলা ব্যাকরণ — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রথম ব্যাকরণের প্রমিত বা ঐতিহাসিক নাম নয়। B) মাগধী ব্যাকরণ — মাগধী প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হলেও এটি বাঙালি রচিত প্রথম ব্যাকরণ নয়। C) গৌড়ীয় ব্যাকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সনাতন বাংলা ব্যাকরণ — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রামাণ্য প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাঙালি লেখকের প্রথম ব্যাকরণ মানেই রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ। - সালটি মনে রাখতে পারেন ১৮৩৩ সাল, যা রামমোহন রায়ের মৃত্যুর বছরও বটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্তুগিজ মিশনারি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁউ রচিত ব্যাকরণ হলো প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, যা ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। - তবে বাঙালি হিসেবে প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা রাজা রামমোহন রায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0