প্রশ্নের বর্ণনা

a জোহরা
b আলালের ঘরের দুলাল
c মৃত্যুক্ষুধা
d হাজার বছর ধরে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: - 'ঠক চাচা' চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় চরিত্র। - এই উপন্যাসে ঠক চাচা চরিত্রটির মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের একশ্রেণির অসৎ, ধূর্ত ও শঠ মানুষের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা হলেন প্যারীচাঁদ মিত্র, যিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠক চাচা ব্যাখ্যা: আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের প্রধান খলচরিত্র যিনি শঠতা ও চাতুর্যের প্রতীক। উদাহরণ ২: মতিলাল ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র যে নষ্ট চরিত্রের অধিকারী হয়ে পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোহরা — এটি কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস যেখানে ঠক চাচা চরিত্রটি নেই। B) আলালের ঘরের দুলাল — এটি সঠিক উত্তর যা প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস। C) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যাতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। D) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হান রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঠক চাচা চরিত্রটি পেলেই মনে রাখবে এটি প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল থেকে নেওয়া হয়েছে। - টেকচাঁদ ঠাকুর বা প্যারীচাঁদ মিত্রের অমর সৃষ্টি হলো এই ঠক চাচা চরিত্রটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - ছদ্মনামের আড়ালে থাকা সাহিত্যিকদের আসল নাম মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0