প্রশ্নের বর্ণনা

a খ, ঝ
b ক, খ
c ত, দ
d চ, জ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খ, ঝ ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাসের চাপের কমবেশিভে আল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'খ' হলো কবর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ এবং 'ঝ' হলো চবর্গীয় চতুর্থ বর্ণ, যা মহাপ্রাণ ধ্বনির সংজ্ঞাকে পুরোপুরি সমর্থন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয় কারণ these sounds are pronounced with a relatively greater breath effort or h-sound. - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপ কম থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছ ব্যাখ্যা: এটি চবর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ এবং মহাপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ঠ ব্যাখ্যা: এটি টবর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ এবং মহাপ্রাণ ধ্বনির একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খ, ঝ — এই অপশনটি সঠিক কারণ খ হলো মহাপ্রাণ এবং ঝ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। B) ক, খ — ক হলো অল্পপ্রাণ এবং খ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি, তাই দুটি মহাপ্রাণ নয়। C) ত, দ — ত হলো অল্পপ্রাণ এবং দ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি, তাই এটি ভুল। D) চ, জ — চ হলো অল্পপ্রাণ এবং জ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি, তাই এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বর্গের বিজোড় সংখ্যাগুলো অল্পপ্রাণ এবং জোড় সংখ্যাগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। - অর্থাৎ ২ এবং ৪ নম্বর বর্ণ সবসময় মহাপ্রাণ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনির এই শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রতিটি বর্গের কোন বর্ণটি কোন ধ্বনি তা ছক আকারে মুখস্থ রাখলে যেকোনো উত্তর সহজে করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0