প্রশ্নের বর্ণনা

a বাহান্নটি
b পয়তাল্লিশটি
c চুয়ান্নটি
d আটত্রিশটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পয়তাল্লিশটি ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা ভাষায় মোট বর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রচলিত ব্যাকরণে ভিন্নতা থাকলেও, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক বর্ণ ৫০টি এবং বাংলা একাডেমি ও প্রমিত রীতি অনুযায়ী পূর্ণ ব্যবহৃত বা সচল বর্ণ হলো ৪৫টি। প্রশ্নটিতে আধুনিক বাংলা ভাষায় পূর্ণ ব্যবহৃত বা লেখার কাজে সচল বর্ণের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক সংখ্যা হলো ৪৫টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। এর মধ্যে অনেক বর্ণ বর্তমানে আধুনিক প্রমিত বাংলায় অব্যবহৃত বা অপ্রচলিত হয়ে পড়েছে, ফলে লেখার সময় কেবল ৪৫টি বর্ণ নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঙ, ঞ, ণ, ড়, ঢ়, ৎ, ং, ঃ, ঁ এই বর্ণগুলোর ব্যবহার বর্তমানে অনেক কমে গেছে বা নির্দিষ্ট কিছু শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলোর অনুপস্থিতি বা কম ব্যবহারের কারণে মোট ৫০টি বর্ণ থেকে হিসাব করে পূর্ণ ব্যবহৃত বর্ণ ৪৫টি ধরা হয়। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার প্রমিত বানানরীতিতে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগের ক্ষেত্রেও এই বর্ণগুলোর সুনির্দিষ্ট ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণের নিয়ম মেনে লেখার সময় সচল বর্ণগুলোই মূলত শব্দের বানান গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাহান্নটি — বাহান্নটি বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যবহৃত হয় না, এটি ভুল তথ্য এবং এটি বর্ণসংখ্যার সঠিক হিসাব নয়। B) পয়তাল্লিশটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ আধুনিক প্রমিত বাংলা ভাষায় লেখার ক্ষেত্রে নিয়মিত ৪৫টি বর্ণ ব্যবহৃত হয়। C) চুয়ান্নটি — চুয়ান্নটি বর্ণ বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। D) আটত্রিশটি — আটত্রিশটি বর্ণ আধুনিক বাংলা ভাষার পূর্ণ ব্যবহৃত বর্ণের সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ থাকলেও আধুনিক যুগে তার মধ্যে ঠিক ৪৫টি বর্ণ বেশি ব্যবহার করা হয়। সংখ্যাটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো মোট ৫০ থেকে ৫ বাদ দিলে ৪৫ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বর্ণমালা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসার সময় মোট বর্ণ এবং পূর্ণ ব্যবহৃত বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বর্ণতত্ত্ব এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত নিয়ম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0