প্রশ্নের বর্ণনা

a চার
b দুই
c পাঁচ
d তিন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিন ১. কেন সঠিক: সমীভবন মূলত তিন ধরনের হয় যথা প্রগত পরাগত ও পারস্পরিক বা উভয়গত সমীভবন। ধ্বনি পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অসমজাতীয় দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ একে অপরের প্রভাবে কিছুটা বা সম্পূর্ণ মিলে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে সমীভবন বলে। প্রকৃতপক্ষে উচ্চারণ সহজ করার জন্য সমীভবন ব্যাকরণে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্ম থেকে পদ্দ ব্যাখ্যা: এখানে দ বর্ণটি ম বর্ণের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে ম এ পরিণত হয়েছে যা পরাগত সমীভবনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জন্ম থেকে জম্ম ব্যাখ্যা: এখানে ন বর্ণটি ম বর্ণের প্রভাবে সম্পূর্ণ মিলে গিয়ে দ্বিত্ব ব্যঞ্জনের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার — সমীভবন ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী চার ধরনের হয় না। তাই এই অপশনটি ভুল। B) দুই — সমীভবন মাত্র দুই প্রকার হতে পারে না। এর প্রকৃত সংখ্যা তিনটি। C) পাঁচ — সমীভবনের প্রকারভেদ কখনো পাঁচ হতে পারে না। তাই এটি সঠিক নয়। D) তিন — সমীভবন তিন প্রকার যা বাংলা ব্যাকরণের স্বীকৃত নিয়ম অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: সমীভবনের প্রকার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন অক্ষরের শব্দ সমীভবন এবং এর প্রকারও তিনটি। প্রগত পরাগত এবং পারস্পরিক এই তিন ভাগে সমীভবন বিভক্ত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমীভবনের উদাহরণ প্রায়ই আসে তাই শব্দ দেখে প্রগত বা পরাগত চেনার অভ্যাস করতে হবে। ধ্বনি পরিবর্তনের অন্যান্য নিয়ম যেমন বিষমীভবন বা অসমীকরণ থেকে সমীভবনকে আলাদা করে চিনতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0