প্রশ্নের বর্ণনা

a ধ্বনিলোপ
b ধ্বনির আকার
c ধ্বনির বিস্তার
d শব্দের প্রসারতা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিলোপ ১. কেন সঠিক: - শব্দের স্বাভাবিক উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের টানে শব্দের আদি, মধ্য বা অন্তস্থিত কোনো ধ্বনি বা বর্ণ বাদ যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ধ্বনিলোপ বলা হয়। - ধ্বনি পরিবর্তনের মূল কারণ হলো উচ্চারণের সহজীকরণ এবং মানুষের মুখের জড়তা কাটানো। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ এর অন্তর্ভুক্ত এই অধ্যায়ে উচ্চারণের সময় ধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটে তা আলোচনা করা হয়। - ধ্বনিলোপ প্রধানত তিন প্রকার যেমন আদিলোপ, মধ্যলোপ ও অন্তলোপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলাবু থেকে লাউ ব্যাখ্যা: এখানে আদি স্বরধ্বনি অ লোপ পেয়ে লাউ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা আদিলোপের উদাহরণ। উদাহরণ ২: গিন্নি থেকে গিন্নি বা জানালা থেকে জানলা ব্যাখ্যা: এখানে মধ্যবর্তী স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেয়েছে, যা ধ্বনিলোপ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিলোপ — এটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়ার একটি প্রধান ও স্বীকৃত অংশ যা ব্যাকরণে স্পষ্টভাবে আলোচিত হয়। B) ধ্বনির আকার — ব্যাকরণে ধ্বনির আকারের কোনো নির্দিষ্ট পরিভাষা বা পরিবর্তন প্রক্রিয়া নেই। C) ধ্বনির বিস্তার — এটি সঠিক কোনো ব্যাকরণিক পরিভাষা নয়, তাই এটি ধ্বনি পরিবর্তনের নাম হতে পারে না। D) শব্দের প্রসারতা — এটি শব্দার্থ তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত, ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - উচ্চারণের সময় কোনো ধ্বনি বাদ পড়ে গেলে তাকে লোভ পাওয়া বা লোপ পাওয়া হিসেবে মনে রাখবে। - ধ্বনি পরিবর্তনের মূল সূত্র হলো উচ্চারণ সহজ করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ধ্বনিলোপ, ধ্বনি বিপর্যয় এবং অভিশুতি এর মধ্যে পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0