প্রশ্নের বর্ণনা

a শব্দ পরিবর্তনে
b পদ পরিবর্তনে
c ধ্বনি পরিবর্তনে
d বাক্য পরিবর্তনে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনি পরিবর্তনে ১. কেন সঠিক: ভৌগোলিক অবস্থান বা পরিবেশ মানুষের মুখের ভাষায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ভৌগোলিক ভিন্নতার কারণে মানুষের উচ্চারণভঙ্গি বা ধ্বনিতে পরিবর্তন আসে, যা উপভাষার জন্ম দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং ধ্বনিতত্ত্বের অংশ। ভৌগোলিক সীমানা, নদী বা পাহাড়ের ব্যবধানের কারণে এক অঞ্চলের মানুষের উচ্চারিত ধ্বনি অন্য অঞ্চলের মানুষের ধ্বনি থেকে আলাদা হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা অঞ্চলের মানুষ অনেক সময় হ বর্ণ উচ্চারণ করতে চায় না। ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক ও সামাজিক ব্যবহারের কারণে এখানে ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র অঞ্চলে প বর্গের ধ্বনিতে আঞ্চলিক টান থাকে। ব্যাখ্যা: অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য মানুষের ধ্বনি উচ্চারণে ভিন্নতা আনে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ পরিবর্তনে — শব্দের অর্থ বা রূপ পরিবর্তন ভৌগোলিক কারণে হলেও মূল প্রভাব পড়ে ধ্বনিগত উচ্চারণে। B) পদ পরিবর্তনে — পদ পরিবর্তন ব্যাকরণের কাঠামোগত বিষয় এবং এটি বাক্যের রূপের ওপর নির্ভর করে। D) বাক্য পরিবর্তনে — বাক্য রূপান্তর বা পরিবর্তন ব্যাকরণের নিয়মাধীন এবং এর সঙ্গে ভৌগোলিক অবস্থানের সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ভৌগোলিক পরিবেশ বদলালে মানুষের উচ্চারণের ভঙ্গি বা ধ্বনি বদলে যায়। তাই ভৌগোলিক অবস্থান মানেই ধ্বনি পরিবর্তন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপভাষা সৃষ্টির মূল কারণ হিসেবে ভৌগোলিক অবস্থাকে চিহ্নিত করা হয়। আঞ্চলিক ভাষার এই বৈচিত্র্য মূলত ধ্বনি পরিবর্তনের ফল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0