প্রশ্নের বর্ণনা

a বক্তার হাসিমুখে কথা বলা
b বক্তার মৃদু আওয়াজ
c বক্তার জিহ্বার জড়তা
d বক্তার কম কথা বলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বক্তার জিহ্বার জড়তা ১. কেন সঠিক: ধ্বনি পরিবর্তনের মূল কারণ হলো মানুষের বাকযন্ত্রের স্বাভাবিক উচ্চারণ প্রক্রিয়ায় নানা ধরনের ত্রুটি বা অনিয়ম ঘটা। বক্তার জিহ্বার জড়তা বা শারীরিক অক্ষমতার কারণে অনেক সময় উচ্চারণে ত্রুটি ঘটে এবং ধ্বনির রূপ পরিবর্তিত হয়ে যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তন হলো কথা বলার সময় মানুষের মুখ থেকে নির্গত শব্দের স্বাভাবিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়া। ভাষার পরিবর্তনশীলতার কারণে এবং উচ্চারণের সুবিধার জন্য মানুষ অনেক সময় শব্দ সহজে উচ্চারণ করতে চায় যার ফলে ধ্বনি পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিকশা থেকে রিক্সা ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্তবর্ণের গঠনে পরিবর্তন আসে। উদাহরণ ২: ধোবা থেকে ধোপা ব্যাখ্যা: ঘোষ ধ্বনি অঘোষ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়ে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বক্তার হাসিমুখে কথা বলা — হাসিমুখে কথা বললে উচ্চারণের ধরন কিছুটা বদলাতে পারে কিন্তু এটি ধ্বনি পরিবর্তনের মূল মনস্তাত্ত্বিক বা শারীরিক কারণ নয়। B) বক্তার মৃদু আওয়াজ — মৃদু আওয়াজ বা ফিসফিস করে কথা বললে শব্দের তীব্রতা কমে যায় কিন্তু শব্দের মূল ধ্বনিগত কাঠামো অপরিবর্তিত থাকে। D) বক্তার কম কথা বলা — কম কথা বললে যোগাযোগের পরিমাণ কমে কিন্তু তা শব্দের অভ্যন্তরীণ ধ্বনি বা বর্ণ পরিবর্তনের কোনো সরাসরি কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি পরিবর্তন মানেই বাকযন্ত্রের কোনো না কোনো অংশের অসামঞ্জস্য বা উচ্চারণের জড়তা। মুখের কথা সহজ করতে জিহ্বা যেভাবে কাজ করে সেখানেই ধ্বনি পরিবর্তনের মূল রহস্য লুকিয়ে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের কারণ এবং বিভিন্ন প্রকার যেমন অপিনিহিতি, অসমীকরণ, বিষমীভবন প্রায়ই আসে। ভাষার সহজীক রণের প্রবৃত্তি এবং উচ্চারণের জড়তা দূর করার চেষ্টাই ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0