প্রশ্নের বর্ণনা

a ধ্বনি ও পদের রূপ পরিবর্তন
b ধ্বনি পরিবর্তন আলোচনায়
c বাক্যের আলোচনায়
d পদের আলোচনায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি পরিবর্তন আলোচনায় ১. কেন সঠিক: নব্য ব্যাকরণবিদরা বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব ও ধ্বনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন। প্রাচীন বা মধ্যযুগের ভাষা থেকে আধুনিক বাংলা ভাষায় শব্দ কীভাবে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে, তা তারা সুশৃঙ্খলভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তন হলো উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা মুখযড়ের অভ্যাসের কারণে শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্য ধ্বনির পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়া। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ নব্য ব্যাকরণবিদগণ এই পরিবর্তনের অন্তর্নিহিত সূত্র ও কারণগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে আবিষ্কার করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্ন থেকে রতন ব্যাখ্যা: যুক্তধ্বনি ভেঙে সহজ করার জন্য মধ্যের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধর্ম থেকে ধরম ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সহজতার জন্য ব্যঞ্জনসংযুক্তির পরিবর্তন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি ও পদের রূপ পরিবর্তন — এটি ব্যাকরণের সামগ্রিক ক্ষেত্র হলেও নব্য ব্যাকরণবিদদের একক বা প্রধান মৌলিক অবদান হিসেবে বিশেষভাবে স্বীকৃত নয়। B) ধ্বনি পরিবর্তন আলোচনায় — এটি সঠিক কারণ নব্য ব্যাকরণবিদগণ ধ্বনিবিজ্ঞানের আলোকে ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা স্পষ্টভাবে দেখিয়েছেন। C) বাক্যের আলোচনায় — বাক্যতত্ত্ব বা বাক্য প্রকরণ নিয়ে প্রাচীন ও মধ্যযুগের পন্ডিতরা বেশি কাজ করেছেন, নব্য ব্যাকরণবিদদের প্রধান ক্ষেত্র এটি নয়। D) পদের আলোচনায় — পদ প্রকরণ বাংলা ব্যাকরণের傳統 বা ঐতিহ্যগত অংশ, যা নব্য ব্যাকরণবিদদের প্রধান মৌলিক আবিষ্কারের ক্ষেত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নব্য ব্যাকরণবিদদের নাম শুনলেই মাথায় রাখবে তারা ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে সবচেয়ে বড় বিপ্লব এনেছিলেন। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ এবং ধ্বনি পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অবদানের কথা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0