প্রশ্নের বর্ণনা

a শব্দ পরিবর্তন
b ধ্বনি পরিবর্তন
c ধ্বনি রূপ পরিবর্তন
d পদ পরিবর্তন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি পরিবর্তন ১. কেন সঠিক: মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত হওয়ার সময় কালক্রমে শব্দের ধ্বনিগুলোর মধ্যে যে রূপান্তর ঘটে, তাকেই ধ্বনি পরিবর্তন বলা হয়। ভাষার গতিশীলতার কারণে মুখের ভাষা পরিবর্তনের সাথে সাথে ধ্বনিতেও পরিবর্তন আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার বিবর্তনশীল প্রক্রিয়ায় উচ্চারণের সহজলভ্যতা বা গতির কারণে শব্দের আদি ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে। ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বরসঙ্গতি, অভিশুতি, বিষমীভবন এবং ব্যঞ্জনলোপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপিহিতি থেকে অভিশুতি যেমন আজি থেকে আইজ এবং পরে আজ। ব্যাখ্যা: এখানে উচ্চারণের সুবিধার্থে ধ্বনির স্থান পরিবর্তন ও রূপান্তর ঘটেছে। উদাহরণ ২: দেশি শব্দ ধোবা থেকে আধুনিক রূপে ধোপা। ব্যাখ্যা: শব্দের শেষের ধ্বনিতে ঘোষত্ব বা অঘোষত্বের প্রভাবে এই ধ্বনি পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ পরিবর্তন — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের ফল হতে পারে, তবে সময়ের সাথে সরাসরি ধ্বনির রূপান্তর বোঝাতে এই পরিভাষাটি প্রধানত ব্যবহৃত হয় না। B) ধ্বনি পরিবর্তন — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সাথে সরাসরি মিলে যায় এবং সঠিক উত্তর হিসেবে পরিগণিত হয়। C) ধ্বনি রূপ পরিবর্তন — বাংলা ব্যাকরণে এটি কোনো স্বতন্ত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা হিসেবে বহুল প্রচলিত নয়। D) পদ পরিবর্তন — এটি পদের এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর বোঝায়, যা ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সময়ের সাথে উচ্চারণের যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে সবসময় ধ্বনি পরিবর্তন হিসেবে মনে রাখবে। ধ্বনির সাথে উচ্চারণের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন প্রকার যেমন আদি-মধ্য-অন্ত্য স্বরাগম বা অপিহিতি প্রায়ই আসে। ধ্বনির পরিবর্তনের মূল কারণ মানুষের মুখ থেকে মুখে উচ্চারণের গতি ও সহজীকরণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0