প্রশ্নের বর্ণনা

a স্বরভক্তি
b অপিনিহিতি
c স্বরসঙ্গতি
d বর্ণদ্বিত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরভক্তি ১. কেন সঠিক: - শব্দের উচ্চারণ সহজ করার জন্য যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের মাঝে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ বলে। - শ্লোক শব্দের ল এবং ক এই যুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে শোলক উচ্চারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনের মধ্যকার উচ্চারণ জটিলতা দূর করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি নিয়ে আসাকে স্বরভক্তি বলা হয়। - একে মধ্যস্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ নামেও ব্যাকরণে অভিহিত করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্ন > রতন ব্যাখ্যা: ত এবং ন যুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে অ স্বরধ্বনি আসার ফলে রত্ন শব্দটি রতন হয়েছে। উদাহরণ ২: ধর্ম > ধরম ব্যাখ্যা: র এবং ম যুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে অতিরিক্ত অ ধ্বনি যুক্ত হয়ে ধর্ম শব্দটি ধরম হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরভক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে যুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি প্রবেশ করেছে। B) অপিনিহিতি — পরের স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হওয়াকে অপিনিহিতি বলে, যা এখানে ঘটেনি। C) স্বরসঙ্গতি — এক স্বরের প্রভাবে অন্য স্বর বদলে যাওয়াকে স্বরসঙ্গতি বলা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বর্ণদ্বিত্ব — কোনো বর্ণের দ্বিগুণ উচ্চারণ বা ব্যবহার হলো বর্ণদ্বিত্ব, যা এই পরিবর্তনে ঘটেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ ভেঙে মাঝখানে স্বরধ্বনি চলে আসলে তাকে স্বরভক্তি বা মধ্যস্বরাগম মনে রাখবে। - রত্ন থেকে রতন বা শ্লোক থেকে শোলক দেখলে স্বরভক্তির কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তির অপর নাম মধ্যস্বরাগম, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - যুক্তবর্ণের উচ্চারণ সহজ করার সাধারণ প্রবণতা থেকেই এই ধ্বনি পরিবর্তনগুলো ঘটে থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0