প্রশ্নের বর্ণনা

a লিখক > লেখক
b কর্ম > করম
c লেপ > নেপ
d আশু > আউশ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিখক > লেখক ১. কেন সঠিক: শব্দের ভেতরে থাকা স্বরধ্বনির প্রভাবে আশেপাশের অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। এখানে 'লিখক' শব্দের প্রথম ই কারের প্রভাবে পরের অ কার পরিবর্তিত হয়ে একার রূপ ধারণ করে 'লেখক' হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে একই রকম বা কাছাকাছি ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে স্বরসঙ্গতি বলে। স্বরসঙ্গতি প্রধানত প্রগত, পরাগত, মধ্যগত এবং উভয়গত এই চার ভাগে বিভক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলাতি > বিলিতি। ব্যাখ্যা: আগের ই কারের প্রভাবে শেষের অ কার ই কারে পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: মূলুকা > মুলুক। ব্যাখ্যা: আগের উ কারের প্রভাবে পরের অ কার উ কারে পরিবর্তিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিখক > লেখক — এটি স্বরসঙ্গতির সঠিক উদাহরণ কারণ ই কারের প্রভাবে অ কার একারে রূপান্তরিত হয়েছে। B) কর্ম > করম — এটি স্বরসঙ্গতি নয়, বরং এটি বিষমীকরণের উদাহরণ যেখানে দুটি একজাতীয় ব্যঞ্জনের একটির পরিবর্তন ঘটেছে। C) লেপ > নেপ — এটি ধ্বনি পরিবর্তন বা সমীভবনের আওতাভুক্ত নয়, এখানে শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটেছে। D) আশু > আউশ — এটি অপিনিহিতির উদাহরণ যেখানে যুক্তব্যঞ্জনের আগের ই কার বা উ কার আগেই উচ্চারিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের ভেতরে স্বরধ্বনিগুলোর পারস্পরিক প্রভাবে যখন পরিবর্তন ঘটে, তখন তাকে স্বরসঙ্গতি বলবে। মনে রাখবে, ই কারের প্রভাবে অ কার একার হওয়া স্বরসঙ্গতির অত্যন্ত পরিচিত রূপ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসঙ্গতি ও বিষমীকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের ভেতরের স্বর পরিবর্তনের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0