প্রশ্নের বর্ণনা

a নামধাতু
b অন্তর্হতি
c অভিশ্রুতি
d যোগরূঢ় শব্দ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অভিশ্রুতি ১. কেন সঠিক: অপিনিহিতির ফলে শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হলে এবং তার প্রভাবে পরবর্তী স্বরধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে অভিশ্রুতি বলে। এটি মূলত স্বরসংগতির একটি বিশেষ রূপ যেখানে শব্দের উচ্চারণ আরও সহজ ও গতিশীল হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অভিশ্রুতি হলো এমন একটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়া যেখানে অপিনিহিত ই-কার বা উ-কার আগের স্বরের সাথে মিলে যায় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিতে পরিবর্তন আনে। বাংলা কথ্য ও প্রমিত ভাষায় এই নিয়মের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: করিয়া থেকে কইরা এবং পরে করে। ব্যাখ্যা: এখানে করিয়া শব্দে অপিনিহিতির ফলে কইরা হয় এবং পরবর্তীতে অভিশ্রুতির মাধ্যমে করে রূপে রূপান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: শুনিয়া থেকে শুইনা এবং পরে শুনে। ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতেও অপিনিহিত স্বরধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী স্বর পরিবর্তিত হয়ে অভিশ্রুতির নিয়ম মেনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামধাতু — বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের পরে আ প্রত্যয় যোগে গঠিত ধাতুকে নামধাতু বলে যা এই প্রশ্নের সাথে মেলে না। B) অন্তর্হতি — উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের মাঝখান থেকে কোনো স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে অন্তর্হতি বলে। D) যোগরূঢ় শব্দ — যে সব শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে প্রমিত বা সমাসমান পদের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অভিশ্রুতি মানে হলো এগিয়ে এসে শোনা বা মিলিয়ে যাওয়া, যেখানে মাঝের স্বরধ্বনি আগেরটির সাথে মিলে রূপ বদলে ফেলে। শর্টকাট মনে রাখার নিয়ম হলো অপিনিহিত রূপের পরের ধাপটিই হলো অভিশ্রুতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের এই অধ্যায় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে করিয়া থেকে করে বা শুনিয়া থেকে শুনে কোন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়, তা বারবার পরীক্ষণে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0