প্রশ্নের বর্ণনা

a স্টিমার>ইস্টিমার
b ফিল্ম > ফিলিম
c করিয়া > কইর্যা
d শরীর > শরীল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্টিমার>ইস্টিমার ১. কেন সঠিক: উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য ভাষার শব্দের উচ্চারণ সহজ করতে শব্দের আদিতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে আদি স্বরাগেম বলে। এখানে মূল ইংরেজি শব্দ স্টিমার এর শুরুতে অতিরিক্ত ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইস্টিমার রূপ লাভ করেছে, যা আদি স্বরাগেমের স্পষ্ট উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে স্বরাগেম তিন প্রকার, যথা আদি স্বরাগেম, মধ্য স্বরাগেম বা বিপ্রকর্ষ এবং অন্ত্য স্বরাগেম। কোনো যুক্তব্যঞ্জন বা জটিল উচ্চারণ সহজ করার উদ্দেশ্যে শব্দের প্রথমে, মাঝে বা শেষে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে স্বরাগেম বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্কুল>ইস্কুল ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সুবিধার জন্য স্কুল শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ইসস্কুল বা ইস্কুল হয়েছে। উদাহরণ ২: স্টেশন>ইস্টেশন ব্যাখ্যা: ইংরেজি স্টেশন শব্দের আদিতে ই ধ্বনি যুক্ত হয়ে আদি স্বরাগেমের মাধ্যমে ইস্টেশন রূপ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টিমার>ইস্টিমার - এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দের আদিতে ই স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে। B) ফিল্ম > ফিলিম - এটি অপিনিহিতি বা মধ্য স্বরাগেমের উদাহরণ কারণ ই ধ্বনি শব্দের মাঝে চলে এসেছে। C) করিয়া > কইর্যা - এটি অভিশ্রুতির উদাহরণ কারণ ই-কার বা উ-কারের প্রভাবে আগের ই-কার বা উ-কার পরিবর্তিত হয়েছে। D) শরীর > শরীল - এটি বিষমীভবনের উদাহরণ কারণ দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন ঘটেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যেমন ই বা উ যুক্ত দেখলে আদি স্বরাগেম হিসেবে চিহ্নিত করবে। স্কুল, স্টেশন, স্পৃহা জাতীয় ইংরেজি বা তৎসম শব্দের শুরুতে ই যোগ হলে সবসময় আদি স্বরাগেম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আদি স্বরাগেম চেনার জন্য ইস্কুল, ইস্টিমার ও ইস্টেশন শব্দগুলো বারবার আসে। মাঝখানে স্বর আসলে মধ্য স্বরাগেম এবং শেষে আসলে অন্ত্য স্বরাগেম হবে, এই পার্থক্য মাথায় রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0