প্রশ্নের বর্ণনা

a কথ্য রীতি
b আঞ্চলিক রীতি
c সাধু রীতি
d চলিত রীতি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাধু রীতি ১. কেন সঠিক: - সাধু রীতি বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ও নির্দিষ্ট রূপ যা শুধুমাত্র লেখ্যরূপে এবং গম্ভীর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। - এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে এবং তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার লেখার রূপ মূলত দুই প্রকার যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - সাধু রীতি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে এবং এর রূপ কখনো পরিবর্তিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার যাসনে সে বড় পাপিষ্ঠ। ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির বাক্য কারণ এখানে ক্রিয়াপদ পূর্ণাঙ্গ ও গুরুগম্ভীর রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: নদী কুলে বসিয়া আমি ভাবিতেছি। ব্যাখ্যা: এখানে বসিয়া ও ভাবিতেছি শব্দগুলো সাধু রীতির ক্রিয়াপদ যা কথ্য ভাষায় ব্যবহার করা হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথ্য রীতি — কথ্য রীতি মূলত মানুষের দৈনন্দিন মুখনিঃসৃত ভাষা যা লেখার পাশাপাশি বলার কাজেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। B) আঞ্চলিক রীতি — আঞ্চলিক রীতি মুখের ভাষা এবং এটি স্থানভেদে পরিবর্তিত হয় যা মানুষের কথ্য ও লেখ্য উভয় রূপেই বিভিন্ন সাহিত্য ও উপন্যাসে ব্যবহৃত হয়। C) সাধু রীতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাধু রীতি কখনো মুখ বা বলার জন্য ব্যবহার করা হয় না, এটি শুধু লেখ্যরূপের জন্য নির্দিষ্ট। D) চলিত রীতি — চলিত রীতি বাংলা ভাষার এমন একটি প্রমিত রূপ যা লেখা এবং বলা উভয় কাজেই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু মানে গম্ভীর এবং সাধু ভাষা মানেই লেখার ভাষা যা মুখে বলা যায় না। চলিত ভাষা মুখে বলা যায় এবং লেখাও যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার কোন রীতি নাটকের সংলাপের জন্য অনুপযুক্ত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। সাধু রীতি কৃত্রিম ও গম্ভীর হওয়ায় নাটকের সংলাপে ব্যবহার করা যায় না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0