প্রশ্নের বর্ণনা

a আমি তার সাথে দেখা করলাম
b সে গতকাল ঢাকা গিয়েছিল
c মিনা তাহাকে দেখিয়াছে
d সেদিন তারা গেল
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিনা তাহাকে দেখিয়াছে ১. কেন সঠিক: - সাধু রীতিতে সর্বনাম ও সমাপিকা ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ ও তৎসম শব্দভিত্তিক হয়। - এখানে তাহাকে এবং দেখিয়াছে শব্দ দুটি সাধু রীতির ব্যাকরণগত কাঠামো সম্পূর্ণভাবে মেনে চলেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সাধু রীতি হলো বাংলা ভাষার সেই মান্য রূপ যা ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি করে। - এই রীতিতে সর্বনাম (যেমন- তাহাকে, ইহাদের) এবং ক্রিয়াপদের (যেমন- দেখিয়াছে, চলিতেছে) রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে এবং কখনো সংক্ষেপিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদ্যপি তাহারা আসিত, তবে আমি যাইতাম। ব্যাখ্যা: এখানে যদ্যপি, তাহারা, আসিত এবং যাইতাম শব্দগুলি সাধু রীতির সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: নদী কুলে কুলে ভরিয়া গিয়াছে। ব্যাখ্যা: এখানে ভরিয়া এবং গিয়াছে শব্দ দুটি সাধু রীতির ক্রিয়াপদের নিখুঁত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি তার সাথে দেখা করলাম — এটি চলিত রীতির বাক্য কারণ এখানে তার ও করলাম শব্দগুলো সংকুচিত রূপ নিয়েছে। B) সে গতকাল ঢাকা গিয়েছিল — এটি চলিত রীতির বাক্য কারণ এখানে গিয়েছিল শব্দটি চলিত রূপের ক্রিয়াপদ। C) মিনা তাহাকে দেখিয়াছে — এটি সাধু রীতির বাক্য এবং এটিই আমাদের কাঙ্ক্ষিত সঠিক উত্তর। D) সেদিন তারা গেল — এটি চলিত রীতির বাক্য কারণ এখানে তারা ও গেল শব্দ দুটি চলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতি চেনার সহজ উপায় হলো সর্বনামে হ-কার (যেমন- তাহাকে, ইহাকে) এবং ক্রিয়ায় ইয়া-যুক্ত রূপ (যেমন- চলিয়াছে, দেখিয়াছে) খোঁজা। - চলিত রীতিতে এই রূপগুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে তার, চলেছে, দেখেছে ইত্যাদি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষ বা বাক্য রূপান্তর প্রায়ই আসে। - একটি বাক্যে সাধু ও চলিত রীতি একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, একে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0