প্রশ্নের বর্ণনা

a বিশেষ্য ও বিশেষণ
b ক্রিয়া ও সর্বনাম
c বিশেষ্য ও ক্রিয়া
d বিশেষণ ও ক্রিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া ও সর্বনাম ১. কেন সঠিক: সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন ঘটে ক্রিয়াপদ এবং সর্বনাম পদের ক্ষেত্রে। বাক্যের গঠনকাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ যতটা পরিবর্তিত হয়, অন্য পদে ততটা হয় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ দীর্ঘ ও তৎসম শব্দবহুল হয় এবং চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপ ধারণ করে। বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের রূপ সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই প্রায় একই থাকে, কিন্তু ক্রিয়া ও সর্বনাম তার রূপ বদলায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া হলো—তাহারা আসিতেছে। এর চলিত রূপ হলো—তারা আসছে। ব্যাখ্যা: এখানে তাহারা হলো সর্বনাম এবং আসিতেছে হলো ক্রিয়াপদ, যা চলিত রূপে যথাক্রমে তারা এবং আসছে হয়েছে। উদাহরণ ২: সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া হলো—যাহা খাইয়াছি। এর চলিত রূপ হলো—যা খেয়েছি। ব্যাখ্যা: এখানে যাহা হলো সর্বনাম এবং খাইয়াছি হলো ক্রিয়াপদ, যা চলিত রূপে যথাক্রমে যা এবং খেয়েছি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য ও বিশেষণ — এই পদগুলোর রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকে তাই এটি মূল পার্থক্যের নির্দেশক নয়। B) ক্রিয়া ও সর্বনাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুটি পদের রূপেই সাধু ও চলিতীতিতে সবচেয়ে বেশি ও দৃশ্যমান পার্থক্য দেখা যায়। C) বিশেষ্য ও ক্রিয়া — বিশেষ্য পদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে একই থাকে বিধায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। D) বিশেষণ ও ক্রিয়া — বিশেষণ পদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে তাই এটি মূল পার্থক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু ও চলিত ভাষার রূপান্তরের মূল চাবিকাঠি হলো ক্রিয়াপদ এবং সর্বনাম পদের পরিবর্তন চেনা। বাক্যে ক্রিয়া ও সর্বনাম দেখলেই তার চলিত রূপ বের করা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে সহজ কৌশল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্নে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের ওপর বিশেষ নজর দিতে হয়। একইভাবে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের পরিবর্তন সাধারণত সাধু ও চলিত রীতিতে হয় না, এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0