প্রশ্নের বর্ণনা

a কথ্য ভাষায়
b সাধু ভাষায়
c আঞ্চলিক ভাষায়
d চলিত ভাষায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু ভাষায় ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে। এই কারণে বাংলা ভাষার এই রূপটিতে এক ধরণের গম্ভীর ও আভিজাত্যপূর্ণ ভাব ফুটে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধু ভাষা হলো বাংলা লেখার একটি মান্য রূপ যা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এই রূপটি গড়ে ওঠে এবং পন্ডিত সমাজে বহুল সমাদৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহারা বৃক্ষ হইতে ফল পাড়িতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ সাধু ভাষার গাম্ভীর্য প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: এই গভীর অরণ্যে প্রবেশ করা সহজ নয়। ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার সাধু ভাষার আভিজাত্য বজায় রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথ্য ভাষায় — কথ্য ভাষা মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের মাধ্যম, তাই এতে লেখার মতো প্রাতিষ্ঠানিক গাম্ভীর্য থাকে না। B) সাধু ভাষায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ভাষার আভিজাত্য রক্ষা করে। C) আঞ্চলিক ভাষায় — আঞ্চলিক ভাষা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের মুখের বুলি, যা সর্বজনগ্রাহ্য বা সাহিত্যের গুরুগম্ভীর রূপ নয়। D) চলিত ভাষায় — চলিত ভাষা সহজ ও সাবলীল হলেও সাধু ভাষার মতো অলংকারপূর্ণ ও আভিজাত্যময় গাম্ভীর্য এতে তুলনামূলক কম থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সাধু বা পন্ডিতদের ভাষা, যেখানে সব শব্দ ও রূপ থাকে পরিপাটি এবং গম্ভীর। গুরুগম্ভীর রচনার জন্যই মূলত সাধু ভাষা ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার দুটি রূপের মধ্যে সাধু ভাষা অপরিবর্তনশীল ও ব্যাকরণের নিয়মে বাঁধা। এই রূপটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের রীতির কাছাকাছি হওয়ায় এতে আভিজাত্য প্রকাশ পায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0