প্রশ্নের বর্ণনা

a সাধু রীতি
b চলিত রীতি
c মিশ্র রীতি
d লৌকিক রীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলিত রীতি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি চলিত রীতিতে লেখা হয়েছে কারণ এতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পরীক্ষার জন্য বাংলা ভাষার রূপভেদ ও তার বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত ও ব্যবহারিক বিষয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা মূলত দুই ধরনের লিখিত রীতিতে বিভক্ত, যার একটি সাধু রীতি এবং অন্যটি চলিত রীতি। - চলিত রীতি মুখী ভাষাভিত্তিক, যা সহজ, সাবলীল এবং সর্বজনগ্রাহ্য প্রমিত রূপ হিসেবে বর্তমানে সর্বত্র ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কি করছ তুমি? ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির বাক্য কারণ এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের চলিত রূপ বিদ্যমান। উদাহরণ ২: গাড়ি চলছে দ্রুত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের গঠনশৈলী ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতির প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু রীতি — এই প্রশ্নটিতে সাধু রীতির অনুসর্গ, সর্বনাম বা ক্রিয়াপদের দীর্ঘ রূপ যেমন করিয়াছি বা তাহার ব্যবহার করা হয়নি। B) চলিত রীতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নটির বাক্যগঠন চলিত রীতির ব্যাকরণগত কাঠামো সম্পূর্ণভাবে মেনে চলেছে। C) মিশ্র রীতি — গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ এই বাক্যে ঘটেনি, তাই এটি মিশ্র রীতি নয়। D) লৌকিক রীতি — লৌকিক বা আঞ্চলিক রীতি কোনো প্রমিত লিখিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণসম্মত আদর্শ রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ যদি সংক্ষিপ্ত এবং সহজ হয়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে চলিত রীতি হিসেবে চিহ্নিত করবে। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের সাথে হ, য়া কিংবা ইয়া যুক্ত থাকে যা চলিত রীতিতে পরিবর্তিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সাধু রীতির পদকে চলিত রীতিতে রূপান্তর করার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0