প্রশ্নের বর্ণনা

a জহির রায়হান
b জসীম উদ্দিন
c সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
d মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান ১. কেন সঠিক: ‘আরেক ফাল্গুন’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত প্রগতিশীল উপন্যাস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসে কারাবন্দী ভাষা সংগ্রামীদের জীবন সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জহির রায়হান একুশে ফেব্রুয়ারি এবং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই উপন্যাসটি রচনা করেন যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন। উপন্যাসটি ১৯৫৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামবাংলার গ্রামীণ জীবন ও কুসংস্কারের ওপর ভিত্তি করে রচিত জহির রায়হানের একটি অমর সৃষ্টি। উদাহরণ ২: জহির রায়হানের আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস ‘বরফ গলা নদী’। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যবিত্ত সমাজের জীবন সংগ্রাম এবং মানসিকতার বাস্তবসম্মত রূপায়ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়ীতা। B) জসীম উদ্দিন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘নক্সাল কাঁথা মাঠ’। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘লালসালু’। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ এবং তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’। ৫ মনে রাখার টিপস: ফাল্গুন মাসের সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারি মিলে যায়, তাই ফাল্গুন সম্পর্কিত উপন্যাস দেখলে জহির রায়হানকে মনে রাখবে। জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে এই উপন্যাস লিখেছেন যা ৫২ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। একইভাবে অন্যান্য লেখকের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম যেমন শওকত ওসমানের ‘স্মরণীয়’ বা সেলিনা হোসেনের ‘যাপিত জীবন’ সম্পর্কেও জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0