প্রশ্নের বর্ণনা

a আলাউদ্দিন আল আজাদ
b শহীদ কাদরী
c সৈয়দ শামসুল হক
d আবু রুশদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলাউদ্দিন আল আজাদ ১. কেন সঠিক: - এই কবিতাংশটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আজাদের বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা স্মৃতিস্তম্ভ থেকে নেওয়া হয়েছে। - কবিতার মূল ভাব হলো বাঙালির ভাষা আন্দোলনের চেতনা অবিনশ্বর এবং স্বৈরাচারী শক্তি তা কখনো ধ্বংস করতে পারবে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাউদ্দিন আল আজাদ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে বহু কালজয়ী সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন। - স্মৃতিস্তম্ভ কবিতাটি ১৯৫২ সালের ভাষা শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙেছে তোমার ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে স্বৈরাচারী শাসকের দ্বারা শহিদ মিনার ধ্বংস করার নিষ্ঠুর চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো আছি বাকি ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে শহিদদের আদর্শ রক্ষা করার জন্য জীবিত প্রজন্মের সাহসী উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাউদ্দিন আল আজাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার রচয়িতা। B) শহীদ কাদরী — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতাটির রচয়িতা নন। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই কবিতাটি তার লেখা নয়। D) আবু রুশদ — তিনি মূলত একজন কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: স্মৃতির মিনার দেখলে মনে রাখবে আজাদ সাহেবের নাম, ভাষা আন্দোলনের চেতনায় যিনি লিখেছেন অবিস্মরণীয় গান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা ও নাটক থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। আলাউদ্দিন আজাদের রক্তে ভেজা তিলক ও যক্ষপুরী নাটক সম্পর্কেও ধারণা রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0