প্রশ্নের বর্ণনা

a বসন্তের প্রথম দিন
b কর্ণফুলি
c ক্ষুধা ও আশা
d তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র ১. কেন সঠিক: - বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছিল। - ১৯৭৭ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সুভাষ দত্ত এই কালজয়ী সিনেমাটি পরিচালনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাউদ্দিন আল আজাদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও নাট্যকার। - তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটি ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে মধ্যবিত্ত সমাজের জীবন ও মনস্তত্ত্বের গভীর রূপায়ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য দীঘল বাড়ি ব্যাখ্যা: এটি আবু ইসহাক রচিত বিখ্যাত উপন্যাস এবং এই উপন্যাস অবলম্বনে একই নামের চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসন্তের প্রথম দিন — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি উপন্যাস হলেও এটি অবলম্বনে বসুন্ধরা সিনেমা নির্মিত হয়নি। B) কর্ণফুলি — এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের অন্যতম জনপ্রিয় নদীভিত্তিক উপন্যাস তবে এর ওপর ভিত্তি করে বসুন্ধরা চলচ্চিত্র তৈরি হয়নি। C) ক্ষুধা ও আশা — এটিও লেখক আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি গ্রন্থ কিন্তু চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু এটি ছিল না। D) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র — এটি সঠিক কারণ চলচ্চিত্রটি এই উপন্যাস থেকেই নির্মিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাস এবং এর চলচ্চিত্র রূপান্তরের কথাটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। - চলচ্চিত্র ও উপন্যাসের এই মিল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাহিত্য অংশে প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যকর্ম থেকে নির্মিত চলচ্চিত্র বা নাটক সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - মূল উপন্যাস এবং তার চলচ্চিত্ররূপের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0