প্রশ্নের বর্ণনা

a আলাউদ্দিন আল আজাদ
b আসাদ চৌধুরী
c মাহ্বুবুল আলম
d অসমি সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলাউদ্দিন আল আজাদ ১. কেন সঠিক: - শহীদ মিনার ও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা বিখ্যাত ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ। - কবিতাটিতে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের অমর স্মৃতি এবং অমর একুশের চেতনা অত্যন্ত আবেগঘন ও শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাউদ্দিন আল আজাদ বাংলা সাহিত্যের এক প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও কবি যিনি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক তাঁর অপর একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো ‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাস এবং ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ নামক উপন্যাস ও নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার একটি অন্যতম সার্থক উপন্যাস। উদাহরণ ২: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্য একটি বিখ্যাত কবিতা হলো হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলন। ব্যাখ্যা: এই সংকলনটিতে ভাষা শহীদদের স্মরণে লেখা সে সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কবিতা ও রচনা স্থান পেয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাউদ্দিন আল আজাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতার রচয়িতা। B) আসাদ চৌধুরী — তিনি একজন খ্যাতনামা কবি হলেও তিনি ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি লেখেননি, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ অন্যতম। C) মাহ্বুবুল আলম — তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত, শহীদ মিনার নিয়ে লেখা এই কবিতার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। D) অসমি সাহা — ইনি বর্তমান সময়ের একজন কবি ও লেখক, তবে আলোচ্য ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি তাঁর রচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদ মিনার ও আজাদ শব্দ দুটি মনে রাখুন। আলাউদ্দিন আল আজাদের নামের শেষে আজাদ আছে, যার মাধ্যমে মনে রাখা সহজ হয় যে শহীদ মিনার নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি তাঁরই লেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা, নাটক ও উপন্যাস থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ এবং এর সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0