প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৭৩০ সালে
b ১৭৩২ সালে
c ১৭৩৪ সালে
d ১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৩৪ সালে ১. কেন সঠিক: মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁও ভাওয়ালে থাকাকালীন ১৭১৩ থেকে ১৭৩৪ সালের মধ্যে পর্তুগিজ ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন রচনা করেন। ১৭৩৪ সালে লিসবন থেকে এই ব্যাকরণটি মুদ্রণ করা হয়, যা বাংলা ভাষার ওপর রচিত প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁও ছিলেন একজন পর্তুগিজ পাদ্রি যিনি ভাওয়াল অঞ্চলে ধর্ম প্রচারের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তার রচিত এই ব্যাকরণগ্রন্থটির পুরো নাম ছিল ভকত জনের ঘরের দুয়ার এবং এটি মূলত পর্তুগিজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেওম এর কির্কো ভকত জনের ঘরের দুয়ার। ব্যাখ্যা: এটি মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁও কর্তৃক রচিত প্রথম বাংলা ভাষার বই এবং ব্যাকরণসংবলিত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে ইংরেজিতে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত এবং বাংলায় মুদ্রিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাকরণ বই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৩০ সালে — এই সালে মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁও ব্যাকরণ রচনা শেষ করেননি এবং এটি সঠিক প্রকাশকাল নয়। B) ১৭৩২ সালে — এটি এই ঐতিহাসিক ব্যাকরণ রচনার বা প্রকাশের সঠিক সাল হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) ১৭৫৬ সালে — এই সালে অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হলেও এটি ব্যাকরণের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আসসুস্পসাঁওয়ের বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশের সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি অর্থাৎ ৩৪ মনে রাখতে পারো। পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল ১৭৩৪ সালে লিসবন থেকে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশ করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা একজন বিদেশি এবং তিনি পর্তুগিজ নাগরিক ছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ এবং এর রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0