প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮০০ সালে
b ১৮০১ সালে
c ১৮০২ সালে
d ১৮০৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে ১. কেন সঠিক: উইলিয়াম কেরি রচিত 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ' গ্রন্থটি ১৮০১ সালে কলকাতা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ও ব্যাকরণসম্মত ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট মিশনারি ও পন্ডিত উইলিয়াম কেরি যিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে এই গ্রন্থটি রচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির 'কথোপকথন' ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত উইলিয়াম কেরির আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা কথ্য ভাষারীতিতে রচিত। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির 'ইতিহাসমালা' ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত উইলিয়াম কেরির একটি বিখ্যাত গল্পসংকলন বা ইতিহাসের বই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এই সালে উইলিয়াম কেরি গ্রন্থটি রচনা শুরু করলেও তা তখন প্রকাশিত হয়নি। B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক প্রকাশকাল হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) ১৮০২ সালে — এই সালে উইলিয়াম কেরির ব্যাকরণ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়নি কারণ এর প্রকাশকাল ১৮০১ সাল। D) ১৮০৩ সালে — এই সালে অন্য কোনো সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হতে পারে তবে এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮০১ সালটি বাংলা সাহিত্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই বছরেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উইলিয়াম কেরির বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। সালটি মনে রাখতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার সাল এবং কেরির ব্যাকরণের সাল একসঙ্গে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং উইলিয়াম কেরির গ্রন্থসমূহের প্রকাশকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। তাই কেরির উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0