প্রশ্নের বর্ণনা

a নকুলেশ্বর বিদ্যাভূষণ
b হরনাথ ঘোষ
c রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
d রাজা রামমোহন রায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি ইংরেজি ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। তাঁর রচিত এই ব্যাকরণটির নাম গৌরীয় ব্যাকরণ, যা প্রথমে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীকালে বাংলায় অনূদিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক ও বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন সমাজসংস্কারক। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানসম্মত ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে তাঁর গৌরীয় ব্যাকরণ একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গৌরীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে সুশৃঙ্খল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বেদান্তসার ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় রচিত দার্শনিক গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষায় বেদান্ত দর্শনের প্রচার ও প্রসারে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নকুলেশ্বর বিদ্যাভূষণ — ইনি বাংলা ভাষার একজন বিশিষ্ট ব্যাকরণবিদ হলেও তিনি ইংরেজিতে কোনো ব্যাকরণ রচনা করেননি, বরং বাংলায় ভাষা প্রকাশ ব্যাকরণ রচনা করেছেন। B) হরনাথ ঘোষ — ইনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং বাংলা ব্যাকরণ রচনায় তাঁর প্রধান কোনো অবদান নেই। ৫) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — ইনি প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক হলেও তিনি ইংরেজিতে কোনো বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে প্রথম ব্যাকরণ লিখেছেন রামমোহন, আর তাঁর বিখ্যাত ব্যাকরণের নাম গৌরীয় ব্যাকরণ। নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে যে রামমোহন রায় ইংরেজিতে পারদর্শী ছিলেন বলেই ইংরেজি ভাষায় ব্যাকরণ লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রথম ইতিহাস ও রচয়িতা সম্পর্কে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রাজা রামমোহন রায় রচিত গৌরীয় ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ সালে, যা ব্যাকরণ ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0