প্রশ্নের বর্ণনা

a আবুল মনসুর আহমদ
b আবু জাফর শামসুদ্দীন
c সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
d শওকত ওসমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। এই উপন্যাসে লেখকের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও অপরাধবোধের সূক্ষ্ম রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তাঁর প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'লালসালু' প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে এবং 'চাঁদের অমাবস্যা' প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত অস্তিত্ববাদী চেতনাসমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল মনসুর আহমদ — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও কৌতুকরূঢ় রচয়িতা। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আয়না'। B) আবু জাফর শামসুদ্দীন — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'। C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এই উপন্যাসটি তাঁরই একক সৃষ্টি। D) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী' ও 'কৃতদাসের হাসি'। ৫. মনে রাখার টিপস: ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম কিন্তু মান অত্যন্ত উচ্চ। চাঁদের আলোয় যেমন নদী ও রাতের রূপ দেখা যায়, তেমনি ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসে মানুষের মনের অন্ধকার রূপ দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসসমূহ যেমন লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা এবং কাঁদো নদী কাঁদো বারবার আসে। লেখকের উপন্যাসের নামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0