প্রশ্নের বর্ণনা

a সৈয়দ মুজতবা আলী
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c শওকত ওসমান
d সেলিনা হোসেন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'চাঁদের অমাবস্যা' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। উপন্যাসটির মূল সুর হলো মানুষের অপরাধবোধ, বিবেক ও আত্মোপলব্ধির দ্বন্দ্ব যা গ্রামীণ পটভূমিতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আরিফ একজন স্কুল শিক্ষক যিনি এক রাতে এক নারীর মৃত্যুর আকস্মিক ঘটনা এবং নিজের লুক্কায়িত অপরাধবোধের মুখোমুখি হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত প্রথম ও সর্বাধিক পরিচিত সামাজিক উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অপর একটি বিখ্যাত অস্তিত্ববাদী উপন্যাস যা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন ও নিয়তি নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও ভ্রমণকাহিনীকার ছিলেন, কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ক্রীতদাসের হাসি অন্যতম। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমকালীন ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর রচনার মধ্যে পোকামাকড়ের ঘরবসতি বিশেষভাবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাঁদের অমাবস্যা, লালসালু এবং কাঁদো নদী কাঁদো এই তিনটি উপন্যাস মনে রাখলে তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্ম আয়ত্ত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল বারবার আসে। বিশেষ করে তাঁর রচিত নাটক 'বহিপীর' এবং উপন্যাস 'লালসালু' থেকে প্রায়শই প্রশ্ন করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0