প্রশ্নের বর্ণনা

a নজিবুর রহমান
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c গোলাম মোস্তফা
d জসীমউদ্দীন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১. কেন সঠিক: 'বহিপীর' হলো বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সামাজিক নাটক যার রচিয়তা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। নাটকটিতে তৎকালীন সমাজের রক্ষণশীলতা, পীরপ্রথার নামে প্রতারণা এবং মানুষের অন্ধবিশ্বাসের চিত্র অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া একজন আধুনিক কথাশিল্পী যিনি মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সামাজিক বাস্তবতার জন্য পরিচিত। বহিপীর নাটকটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রতিবাদী চেতনার একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লালসালু' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত একটি উপন্যাস, যা পীরপ্রথার আড়ালে গ্রামীণ মানুষের শোষণ ও অন্ধবিশ্বাসকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: 'কাঁদো নদী কাঁদো' ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত অপর একটি বিশ্বমানের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে মানুষের জীবন ও নদীর প্রতীকী রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নজিবুর রহমান — তিনি একজন ঔপন্যাসিক হলেও 'বহিপীর' নাটকের রচিয়তা নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'আঙ্গুরী বেগম'। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার বিখ্যাত একটি নাটক। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক ছিলেন, তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে 'বিশ্বনবী' সিরাত গ্রন্থটি অন্যতম। D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত হলেও 'বহিপীর' নাটকটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'নক্সাল কাঁথার মাঠ'। ৫ মনে রাখার টিপস: ওয়ালীউল্লাহর নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার নাটকের সংখ্যা কম কিন্তু মান অত্যন্ত উঁচু। 'বহিপীর' ও 'তরঙ্গভঙ্গ' তার দুটি বিখ্যাত নাটক, যার মধ্যে বহিপীর সমাজে পীর নিয়ে খেলা করা এক ব্যক্তির গল্প। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বহিপীর' নাটকের চরিত্র যেমন তাহের, হাশেম ও খোদেজা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নাটকটির রচিয়তা এবং প্রকাশের সন ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0