প্রশ্নের বর্ণনা

a সামাজিক দায়বদ্ধতা
b অসহায়দের জীবন
c রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা
d মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকের মূল উপজীব্য বিষয় হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের গ্রামীণ জনপদের মানুষের মানসিকতা। - লেখকের এই কাব্যনাট্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচার এবং গ্রামীণ মানুষের প্রতিরোধ ও মুক্তির আকুতি অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যনাট্য সম্পর্কিত। - ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত এই কাব্যনাট্যে মুক্তিকামী মানুষের বিজয় এবং স্বৈরাচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য 'নূরলদীনের সারাজীবন'। ব্যাখ্যা: এই নাটকটিও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত যেখানে শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর'। ব্যাখ্যা: এটিও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যার মূল উপজীব্য হলো যুদ্ধ এবং তার ধ্বংসলীলা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক দায়বদ্ধতা — নাটকটির পটভূমি বৃহত্তর জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ, কেবল সাধারণ সামাজিক দায়বদ্ধতা এর মূল বিষয় নয়। B) অসহায়দের জীবন — নাটকে অসহায় মানুষের কষ্টের চিত্র থাকলেও এর মূল লক্ষ্য সামগ্রিক মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরোধ। C) রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা — এটি মূলত রাজনৈতিক নয়, বরং জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ ও জনযুদ্ধের সার্বিক চেতনাভিত্তিক। D) মুক্তিযুদ্ধ — এটিই সঠিক কারণ নাটকের প্রতিটি চরিত্রে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি নাট্যকার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধকে গুরুত্ব দিয়েছেন। - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি কাব্যনাট্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কোন জাতীয় রচনা বা এর রচয়িতা কে তা জানতে চাওয়া হয়। - সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্যগুলোর নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0