প্রশ্নের বর্ণনা

a মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি
b মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট
c মুক্তিযুদ্ধের শেষ
d দেশ গড়া
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ শামসুল হকের ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কাব্যনাট্যের মূল প্রেক্ষাপট হলো ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ। - নাটকে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের মনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অবধারিত যুদ্ধের যে মানসিক প্রস্তুতি ও প্রতিরোধস্পৃহা গড়ে উঠেছিল, তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক এবং এটি একটি কাব্যনাট্য হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। - ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত এই নাটকে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রামীণ সমাজের ভয়, আশা, অপেক্ষা এবং চূড়ান্ত লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার আবহ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে রূপায়িত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কাব্যনাটক। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত কাব্যনাট্য যা ব্রিটিশবিরোধী বিদ্রোহের পটভূমিতে লেখা হয়েছে। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক। ব্যাখ্যা: এই নাটকটির প্রেক্ষাপট হলো পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ যা ঐতিহাসিক নাটকের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি — এটি সঠিক কারণ নাটকটিতে যুদ্ধের আগের মুহূর্তের গ্রামীণ প্রস্তুতি ও মানসিক জাগরণ দেখানো হয়েছে। B) মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট — অপশনটি আংশিক সত্য হলেও এটি নাটকের সুনির্দিষ্ট সময় বা প্রস্তুতি পর্বকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলে না। C) মুক্তিযুদ্ধের শেষ — এটি ভুল কারণ নাটকটিতে যুদ্ধের শেষ বা বিজয়ের উল্লাস ফুটিয়ে তোলা হয়নি, বরং যুদ্ধের সূচনা পর্ব বা প্রস্তুতি মূল বিষয়। D) দেশ গড়া — এটি ভুল কারণ দেশগঠন হলো স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের বিষয়, অথচ এই নাটকের মূল সুর যুদ্ধ শুরুর আগের প্রস্তুতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ মানেই যুদ্ধের পদধ্বনি এবং যুদ্ধের আগের প্রস্তুতিমূলক পরিবেশ। - সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এই বিখ্যাত কাব্যনাট্যটির নাম দেখলেই মনে রাখবে এটি মুক্তিযুদ্ধের শুরুর আগের উত্তাল সময়ের গল্প। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাব্যনাট্যটি কত সালে প্রকাশিত হয় তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, এর প্রকাশকাল হলো ১৯৭৩ সাল। - নাটকের রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে বহুমুখী প্রতিভার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0