প্রশ্নের বর্ণনা

a নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
b নির্জন স্বাক্ষর
c নিরালোকে দিব্যরথ
d নির্বাণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিরালোকে দিব্যরথ ১. কেন সঠিক: নিরালোকে দিব্যরথ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত রচনা। প্রশ্নটিতে শামসুর রাহমানের একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে যা সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন সি-তে রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং নাগরিক জীবনের কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মানুষের অধিকার এবং নগর জীবনের নানা অনুভূতি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের নাম। উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটিও কবি শামসুর রাহমানের সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি — এটি কবি শহীদ কাদরীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং শামসুর রাহমানের রচনা নয়। B) নির্জন স্বাক্ষর — এটি কবি শহীদ কাদরীর একটি অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। D) নির্বাণ — এটি শামসুর রাহমানের কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম বা কাব্যগ্রন্থের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবি নামের সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত বই যেমন নিরালোকে দিব্যরথ বারবার অনুশীলন করতে হবে। পরীক্ষায় কবি ও তাঁর কাব্যগ্রন্থ মেলানোর সময় অন্যান্য কবির বিখ্যাত বইগুলো আলাদা করে মনে রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার বলা হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের প্রধান কাব্যগ্রন্থের তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0