প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b নির্মলেন্দু গুণ
c শামসুর রহমান
d কবি আল মাসুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমান। - স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতার মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বহুল পঠিত একটি সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রহমান বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবাদপুরুষ যিনি নাগরিক জীবন ও সমকালীন ইতিহাসকে কাব্যে রূপ দিয়েছেন। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং তার প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা ও বিজয়ের আনন্দ এই কবিতার মূল উপজীব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’। ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রমিত কবিতা। উদাহরণ ২: শামসুর রহমানের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা ‘আসাদের শার্ট’। ব্যাখ্যা: ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতায় শহীদ আসাদের রক্তের দাগমাখা শার্টের প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি, যার মূল সাহিত্যকর্ম ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও সাম্যের পক্ষে রচিত হলেও এই কবিতার রচয়িতা তিনি নন। B) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট আধুনিক কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটির রচয়িতা তিনি নন, তার বিখ্যাত কবিতা হলো ‘হুলিয়া’ ও ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো’। D) কবি আল মাসুদ — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন এবং বাংলা সাহিত্যে এই নামে কোনো প্রধান কবি নেই, যদিও আল মাহমুদ নামে একজন খ্যাতনামা কবি আছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রহমানের স্বাধীনতা বিষয়ক কবিতার ক্ষেত্রে ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ এবং ‘স্বাধীনতা তুমি’ এই দুটি নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। - নাগরিক জীবনের কবি শামসুর রহমানের সবচেয়ে শক্তিশালী সৃষ্টিগুলোর একটি হলো এই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতাটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম এবং এর রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি শামসুর রহমানের জন্ম ১৯২৯ এবং মৃত্যু ২০০৬ সালে, যা তার সাহিত্যিক সময়কাল বুঝতে সাহায্য করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0