প্রশ্নের বর্ণনা

a আনিস চৌধুরী
b আবু ইসহাক
c শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবু ইসহাক ১. কেন সঠিক: 'সূর্য দীঘল বাড়ি' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত সামাজিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক। এই উপন্যাসের মাধ্যমে ১৯৪০ এর দশকের গ্রামীণ জনপদের মানুষের চরম দারিদ্র্য, মানুষের বেঁচে থাকার আকুতি ও সামাজিক কুসংস্কার অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আবু ইসহাক ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত তাঁর বাস্তবধর্মী রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন। 'সূর্য দীঘল বাড়ি' উপন্যাসে প্রধান চরিত্র জয়গুন চরম অভাবের তাড়নায় কীভাবে সামাজিক ও নৈতিক সংগ্রামের মুখোমুখি হয় তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও গ্রামবাংলার মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং তৎকালীন সামাজিক পটভূমি নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার এবং ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসকে কেন্দ্র করে রচিত বাংলা সাহিত্যের আরেকটি মাস্টারপিস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিস চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, তবে তিনি এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রচনা করেননি। B) আবু ইসহাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই 'সূর্য দীঘল বাড়ি' উপন্যাসের মূল রচয়িতা। C) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'শ্রীকান্ত' ও 'দেবদাস' অন্যতম, 'সূর্য দীঘল বাড়ি' তাঁর লেখা নয়। D) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিখ্যাত গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক যিনি 'বিষাদ সিন্ধু' রচনা করেছেন, তবে এই উপন্যাসের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: সূর্য দীঘল বাড়ির কথা মনে রাখতে মাথায় রাখুন আবু ইসহাকের বিখ্যাত উপন্যাস এটি। গ্রামবাংলার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলতে আবু ইসহাকের এই সৃষ্টি একটি অনন্য নাম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে আবু ইসহাকের নাম প্রায়ই 'সূর্য দীঘল বাড়ি' এর সঙ্গে আসে। লেখকদের প্রধান সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0