প্রশ্নের বর্ণনা

a মাত্রাবৃত্ত
b অক্ষরবৃত্ত
c মিশ্র কলাবৃত্ত
d কোনটিই না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: - ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যেখানে পর্বগুলো সাধারণত আট বা ছয় মাত্রার এবং ধ্বনিপ্রবাহ কিছুটা ধীর ও ভারী হয়। - এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি ধ্বনি বা মাত্রা স্পষ্ট উচ্চারিত হয় এবং এটি মূলত আবেগ ও শক্তির বহিঃপ্রকাশের জন্য উপযোগী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচয়িতা হলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। - এটি তাঁর বিখ্যাত ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং তারুণ্যের শক্তি, সাহস ও বিদ্রোহের প্রতীক হিসেবে কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাতেও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের শক্তিশালী ও বীরত্বপূর্ণ ধ্বনিপ্রবাহ লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের চালচিত্র ও গ্রামীণ জীবনের সুনিপুণ রূপায়নের জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাত্রাবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছন্দের ধ্বনি বিন্যাস ও মাত্রা গণনা কবিতার ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। B) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে স্বরবৃত্ত বা মিশ্র কলাবৃত্ত বলা চলে না, এটি মূলত পয়ার ছন্দের প্রমিত রূপ এবং এখানে ছন্দের গতি ভিন্ন। C) মিশ্র কলাবৃত্ত — মিশ্র কলাবৃত্ত বা স্বরবৃত্ত ছন্দের গতি দ্রুত হয়, যা আঠারো বছর বয়সের ভারী ও জোরালো ভাবের সাথে পুরোপুরি মেলে না। D) কোনটিই না — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুকান্ত ভট্টাচার্যের তারুণ্যভিত্তিক কবিতাগুলো সাধারণত গভীর ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা হয়। - আঠারো বছর বয়স মানেই একটা ভারী ও জোরালো বয়স, তাই এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে গাঁথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা কোন ছন্দে রচিত, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - কবিতার পংক্তি বিশ্লেষণ করে মাত্রা গণনা করার অভ্যাস রাখলে ছন্দ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0