প্রশ্নের বর্ণনা

a 1923
b 1932
c 1947
d 1954
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ (বিঃদ্রঃ প্রদত্ত প্রশ্নে C অপশনে ১৯৪৭ থাকলেও, বাংলা একাডেমি ও প্রমিত সাহিত্য ইতিহাস অনুযায়ী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯৪৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক সালটি অন্তর্ভুক্ত না থাকায় পরীক্ষামূলক ও প্রমিত তথ্য অনুযায়ী তাঁর জীবনকাল ১৯২৬ থেকে ১৯৪৫ সাল ধরা হয়। এখানে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে C) ১৯৪৫ সালকে ধরে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।) ১. কেন সঠিক: - কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য অত্যন্ত স্বল্পায়ু জীবন লাভ করেছিলেন এবং মাত্র একুশ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর মৃত্যুসাল ১৯৪৫ সালের ১৩ই মে, যা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে কিশোর কবি ও দ্রোহের কবির প্রয়াণকাল হিসেবে চিহ্নিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা সাহিত্যে কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার গণসংগীতের কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই, মিله প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে তাঁর দ্রোহের সুর স্পষ্ট। উদাহরণ ২: হে মহাসৈনিক ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা, যা বাংলা কবিতার অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ — এই সালে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন (১৫ই আগস্ট, ১৯২৩)। তাই এটি মৃত্যুর সাল নয়। B) ১৯৩২ — এই সালে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবনের কোনো উল্লেখযোগ্য প্রয়াণকাল বা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। C) ১৯৪৫ (প্রদত্ত প্রশ্নে ১৯৪৭) — প্রদত্ত অপশনে ১৯৪৭ থাকলেও তাঁর প্রকৃত মৃত্যুসাল ১৯৪৫, যা বাংলা সাহিত্যের প্রামাণিক তথ্যানুযায়ী সত্য। D) ১৯৫৪ — এই সালে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর সঙ্গে কোনো মিল নেই, কারণ তিনি এর অনেক আগেই মারা গেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুকান্তের জন্ম ও মৃত্যুর সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর জন্ম ১৯২৬ এবং মৃত্যু ১৯৪৫ সাল। তিনি মাত্র ২১ বছর বেঁচে ছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম, মৃত্যু এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - স্বল্পায়ু এই কবির জীবনকাল নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে তাঁর জন্ম (১৯২৬) ও মৃত্যু (১৯৪৫) ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0