প্রশ্নের বর্ণনা

a সুবচন নির্বাসনে
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c এখন দুঃসময়
d সমতট
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রক্তাক্ত প্রান্তর ১. কেন সঠিক: - রক্তাক্ত প্রান্তর হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। - নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো যুদ্ধ মানুষের জীবনে শুধু ধ্বংস ও রক্তপাত নিয়ে আসে এবং জয় পরাজয়ের ঊর্ধ্বে মানবতার পরাজয় ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর বাঙালি নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, শিক্ষাবিদ ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন যিনি বাংলা নাটকে আধুনিকতার সূচনা করেন। - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ১৭৬১ সালের পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধ হলেও এর মূল সুর সমকালীন বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রাম ও রাজনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দণ্ডতীর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী রচিত আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটিকা যা ১৯৫৩ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়। উদাহরণ ২: চিঠি ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরীর অনূদিত বিখ্যাত একটি নাটক যা নাট্যকার আন্তন চেখভের রচনার বাংলা রূপান্তর এবং তার নাট্য প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবচন নির্বাসনে — এই নাটকটির রচয়িতা প্রখ্যাত নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুন, মুনীর চৌধুরী নন। C) এখন দুঃসময় — এই নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার ও নির্দেশক বাদল সরকার, মুনীর চৌধুরী নন। D) সমতট — এটি মুনীর চৌধুরীর রচিত কোনো নাটক নয় বরং এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদের নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মুনীর সাহেবের রক্তাক্ত প্রান্তর ও কবর নাটকের খ্যাতি চিরন্তন। - ঐতিহাসিক পটভূমির নাটকের কথা মনে পড়লে মুনীর চৌধুরীর রক্তাক্ত প্রান্তর নামটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই নাটকের রচয়িতা ও প্রেক্ষাপট ভালোভাবে পড়তে হবে। - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি অমর সৃষ্টি যা পরীক্ষার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0