প্রশ্নের বর্ণনা

a নারীদের ধর্মীয় শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করতে
b সমাজে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর করতে
c শিমুদের নীতিকথা শিক্ষা দিতে
d নারীদের কুসংস্কারমুক্ত ও শিক্ষিত করতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নারীদের কুসংস্কারমুক্ত ও শিক্ষিত করতে ১. কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনতে এবং সমাজে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন। - তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্মে নারী শিক্ষা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাঙালি মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে আবির্ভূত হন। - সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ তাঁর বিখ্যাত রচনা, যেখানে তিনি নারী স্বাধীনতা ও শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান উপন্যাস, যেখানে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিপরীত এক নার-শাসিত সমাজের চিত্র আঁকা হয়েছে। উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে বেগম রোকেয়া তৎকালীন সমাজের পর্দাপ্রথার নামে নারীদের উপর চলা নিষ্ঠুর নির্যাতন ও অবরুদ্ধ অবস্থাকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারীদের ধর্মীয় শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করতে — রোকেয়া নারীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চেয়েছিলেন, শুধু ধর্মীয় শিক্ষা তাঁর লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিল না। B) সমাজে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর করতে — তাঁর রচনার মূল লক্ষ্য ছিল নারী মুক্তি, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল না। C) শিমুদের নীতিকথা শিক্ষা দিতে — শিমুদের নীতিকথা শিক্ষা দেওয়ার মতো কোনো শিশুতোষ বা নৈতিকতামূলক সাহিত্য রোকেয়া রচনা করেননি। D) নারীদের কুসংস্কারমুক্ত ও শিক্ষিত করতে — এটিই তাঁর লেখার মূল উদ্দেশ্য এবং সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার নাম এলেই মনে রাখবে নারী জাগরণ, নারী শিক্ষা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তাঁর সাহিত্য মানেই নারীদের অধিকারের কথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম রোকেয়াকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয় এবং তাঁর জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর একই দিনে পালিত হয়। এই ধরনের প্রশ্ন মূলত লেখকের মূল ভাবাদর্শ বা সাহিত্যকর্মের মূল থিম থেকে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0